নিশ্বাস-প্রশ্বাস ছন্দে হতে পারে, রিদমে হতে পারে, সুরে হতে পারে, তালে হতে পারে সেটাকেও যে মিউজিকের কাজে ব্যাবহার করা যেতে পারে রাহুল দেববর্মণ ভারতীয় সংগীতকে সেটা দেখালেন
তিসরি মঞ্জিল সিনেমার কাজ চলছে তখন। গানের রিহার্সাল চলছে। রাহুল দেববর্মণ সিদ্ধান্ত নিলেন যে গানের জগতে নতুন কিছু করে দেখাবেন। তাঁর রিহার্সালের পর আশা ভোঁসলে! তিনি যখন বাড়ী ফিরছেন গাড়িতে করে তখন তিনি ভাবলেন যে গাড়িতে বসে একটু প্রাকটিস করে নেই যেগুলো পঞ্চম দেখিয়েছে। যেমন ভাবা তেমন কাজ। তিনি গাড়িতে বসেই নিশ্বাস-প্রশ্বাসের সাহায্যে সুর/রিদম দেয়ার চেষ্টা করছেন
গাড়িতে থাকা ড্রাইভার তিনি ব্যাপার স্যাপার কিছুই বুঝলেন না। আশা ভোঁসলে ওই রকম অদ্ভুদ নিশ্বাস ফেলছেন শুনে তিনি হঠাৎ করে বলে বসলেন - ম্যাডাম আপনার কি শরীর খারাপ করছে? আমি কি আপনাকে হসপিটালে নিয়ে যাবো? মানে ড্রাইভার ভীষণ ইনোসেন্টলি জিজ্ঞাসা করেছিলেন তিনি বুঝতেই পারেননি ওটা গানের মধ্যে ব্যাবহার করা যেতে পারে কারন তখন ওই ব্যাপারটাই এমন নতুন ছিলো। আশা ভোঁসলে কি বলেছিলেন এবং তাঁর ড্রাইভারের প্রতিক্রিয়া কি হয়েছিলো সেটা জানা নেই তবে আমজনতার প্রতিক্রিয়া কি হয়েছিলো সেটা তিসরি মঞ্জিল সিনেমা রিলিজ করার পরে গোটা ভারতবর্ষ জানে
ঘটনাচক্রে এই পোষ্টে আমি যে গানের লিরিক্স শেয়ার করছি সেই গানেও কিন্তু ওই রকম নিশ্বাসের ব্যাবহার রয়েছে। স্বপন চক্রবর্তীর লেখায় রাহুল দেববর্মণের সুরকরা আশা ভোঁসলের কন্ঠে সেই গানের লিরিক্স নিচে দেয়া হলো...