শুধুমাত্র গান না ফ্লিম ছিল ভূপেন বাবুর একটি প্রিয় বিষয়। শকুন্তলা, প্রতিধ্বনি এবং লটিঘটি তাঁর পরিচালিত এই তিনটি ছবি জাতীয় পুরষ্কার পেয়েছিলো যথাক্রমে ১৯৬০, ১৯৬৪ এবং ১৯৬৭ সালে। ১৯৭৫ সালে চামেলি মেমসাহেব ছবির জন্যে জাতীয় পুরুস্কার পেয়েছিলেন বেষ্ট মিউজিক ডিরেক্টর হিসেবে
এরপরে একে একে পেলেন পদ্মশ্রী, অরুণাচল প্রদেশ গোল্ড মেডেল, সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার। পেলেন দেশের সেরা ফ্লিম পারসোনালিটি পুরস্কার, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার এছাড়া ২০০১ সালে পদ্মবিভূষণ ছাড়াও অজস্র পুরুস্কার পেয়েছেন ভূপেন হাজারিকা
১৯৫৮ সালে তৈরি করেছিলেন ছবি মাহুত বন্ধু রে। এই ছবিটি সেই সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর কাছে এতটাই ভালো লেগেছিলো যে তিনি বিদেশের সমস্থ ভারতীয় দূতাবাসে ছবিটি পাঠিয়েছিলেন True Indian Peoples Flim হিসেবে
বাংলাদেশেও তাঁর ভালোবাসার মানুষ কম ছিলো না। ১৯৭৮ সালে সীমানা পেরিয়ে ছবির জন্য সেরা মিউজিক ডিরেক্টর হিসেবে পুরুস্কার পেয়েছিলেন "বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন" এবং "বাংলাদেশ ফ্লিম ইন্ডাট্রিরির" কাছে থেকে। বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর গাওয়া গান সেখানকার মানুষদের মুখে মুখে ফিরতো
একবার বার্লিনে ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স অব কম্পোজার্সে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ভুপেন হাজারিকা সেই কনফারেন্সের কংগ্রেস হলে ওয়ার্ল্ড সেমিনারের প্রথম দিনে উদ্বোধনী সংগীত গাওয়ার দুর্লভ সম্মান তাঁকে দেয়া হয়েছিলো আর সেখানে তিনি গেয়েছিলেন বাংলাদেশের যুদ্ধের পটভূমিকায় লিখা গান - গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা