সম্ভবত সে বারে দুর্গাপুরে কোন একটা অনুষ্ঠান করতে গেছেন বনশ্রী সেনগুপ্ত। ফিরে আসতে আসতে প্রায় মাঝরাত। বাহিরে কোথাও অনুষ্ঠান করতে গেলেই সাথে থাকতেন তাঁর কর্তা শান্তি লাল বাবু। তো দুর্গাপুরের সেই অনুষ্ঠান শেষ করে বাড়ীতে ফিরে কর্তা-গিন্নী মাঝরাতে আবিস্কার করলেন যে, বাড়িতে ঢোকার মেইন গেটের যে চাবিটা সেটা তাদের কাছে নেই, রাস্তায় কোথাও হারিয়ে গেছে। তবুও তারা তন্ন তন্ন করে ব্যাগ, পকেট সমস্থ কিছু খুজলেন। গাড়ির ভিতর খোজা হলো কিন্তু চাবিটি পাওয়া গেলো না
বাড়ীর দুটো চাবি থাকতো। একটা অনুষ্ঠানে গেলে সাথে করে নিয়ে যেতেন বনশ্রী দেবী এবং অন্যটা বাড়ীর পরিচারিকার কাছে থাকতো। তো সেই পরিচারিকা ইতিমধ্যে তাঁর বাড়ীতে চলে গেছেন, ফিরে আসতে তাঁর সকাল হবে। উপায় না দেখে কর্তা-গিন্নী সেদিন নিজের বাড়ীর সামনে রাস্তার উপর গাড়িতে বসে রাত কাটালেন। পরের দিন সকাল বেলা পরিচারিকা আসার পরে তাঁর কাছ থেকে চাবি নিয়ে ঘরে ঢুকে জামা-কাপড় চেঞ্জ করে তিনি গেলেন সুধীন দাশগুপ্তের ক্লাসে
সেখানে গিয়ে সুধীন বাবুকে গত রাতের ঘটে যাওয়া ঘটনা খুলে বললেন। গল্প শুনতে শুনতে সুধীন বাবুর কি মনে হলো জানিনা তিনি হারমোনিয়াম টেনে নিলেন এবং একটু আনমনা ভাবেই জিজ্ঞাসা করলেন - কি যেন হারিয়ে গেছিলো বললে! তখন বনশ্রী সেনগুপ্ত বললেন ক্যানো? চাবি! সুধীন বাবু বললেন - হ্যা চাবি! কিন্তু কিসের চাবি? ক্যানো ঘরের চাবি; আমার ঘরের চাবি - অবাক হয়ে বললেন বনশ্রী দেবী
ওই চাবি হারানোর ঘটনাটাকে কেন্দ্র করে সেদিন সুধীন দাশগুপ্ত বানালেন একটা অনবদ্য গান যে গানটা বনশ্রী সেনগুপ্তকে অমর করে দিলেন। ছি ছি এ কী কান্ড করেছি শেয়ার করবো এই গানের লিরিক্স এই পোষ্টের মাধ্যমে