এমন একটা গল্প দিয়ে শুরু করছি যেখানে রাহুল দেব বর্মণ যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন। সময় ভালো না চললে যা হয়। পাশের চেয়ার গুলো আস্তে আস্তে শুন্য হয়ে যাচ্ছিলো। বন্ধুদের ভীর আস্তে আস্তে পাতলা হতে লাগলো। বেশ কিছুটা ভেঙে পড়েছিলেন রাহুল দেব বর্মণ
হাতে আসা কাজ চলে যাচ্ছিলো। একটা যে সময়ে যে সমস্থ মানুষেরা রাহুল দেব বর্মণকে ধরে সাফল্যের সিড়ি দেখেছিলেন সেই সমস্থ মানুষেরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলেন, বন্ধুরা সঙ্গে তো ছিলোই না এরপরে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিসৃত কাজ সেটাও পাচ্ছিলেন না রাহুল দেব বর্মণ
এমন সময়ে 1942 a love story নামে একটি ছবি বানাবেন বলে সিন্ধান্ত নিলে Vidhu Vinod Chopra যোগাযোগ করলেন রাহুল দেব বর্মণের সাথে। তিনি বললেন আমার এমন এক ধরনের মিউজিক চাই যে মিউজিকে পল্লীগানের সুর রয়েছে, যে মিউজিকটা এই ৮০ দশকে চেনা মিউজিকের থেকে আলাদা, মন ছোয়া এমন মিউজিক চাই
আঘাত পেয়ে পেয়ে মানুষটা অবস্থা এমন হয়েছিলো সেই সময়ে যে শোনা যায় Vidhu Vinod Chopra কে ত তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে - Vidhu এই কাজটা আমিই করছি তো? কথা দিয়ে তুমি আবার অন্য কাউকে করাবে না তো? Vidhu Vinod Chopra আশ্বাস দিয়েছিলেন তাঁকে
চ্যাম্পিয়নরা যখন কোণঠাসা হয়ে পড়ে, চ্যাম্পিয়নদের যখন আতে ঘা পড়ে সেই সময়ে চ্যাম্পিয়নরা ফিরে আসে; কাউন্টার দেন এবং সেই যে কাউন্টার টা সেটা ভবিষ্যৎ পৃথিবীর কাছে একটা উদাহরণ হিসেবে থেকে যায় গোটা জীবন। ইতিহাস সেটা মনে রাখে সেটাই ঘটেছিলো সে সময়ে
1942 a love story এর মিউজিক তৈরি করলেন রাহুল দেব বর্মণ এবং সেই গান, সেই মিউজিক, সেই ধুন গোটা নব্বই দশকের গানের একটা রুপরেখা তৈরি করে দিলো যদিও এই সিনেমাটা রিলিজ এর আগেই রাহুল দেব বর্মণ মারা যান ফলত এই সিনেমার গানের যে প্রত্যাশিত সাফল্য সেটা দেখে যেতে পারেন নি তিনি