সলিল চৌধুরী এবং লতা মঙ্গেশকরের মধ্যে পারস্পরিক এবং মুগ্ধতার সম্পর্ক ছিলো। দুজনেই জিনিয়াস ও একে অপরের শ্রেষ্ঠত্বও মেনে নিয়েছিলেন। যেদিন প্রথম দেখা হলো সেদিন সলিল চৌধুরী তাঁর বাংল গানের কয়েকটা কম্পোজিশন শুনিয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকরকে। শুধুমাত্র একটা ধারনা দেয়ার জন্যে তাঁর কম্পোজিশন সম্পর্কে
সলিল বাবু অবাক হয়ে শুনলেন লতাজি তাঁর কম্পোজিশনে Runner গানটির কথা বললেন এমনকি দু-এক লাইন গেয়েও শুনিয়ে দিলেন। সেদিনের এই ঘটনার কথা সলিল বাবু বলেছিলেন এক যায়গায়। সেই প্রথম তাঁর মনে হলো একজন শিল্পীর সামনে তিনি বসে আছেন যার মত সেনসিটিভ মাইন্ড এবং এক্সপ্রেসিভ হার্ড তিনি কখনো দেখেন নি
যেন এক চুম্বকের সামনে বসে আছেন যিনি সূক্ষ্ম থেলে সূক্ষ্মতম মিউজিক্যাল নোটস এর ভ্যারিয়েশন ও মনে রাখতে পারেন অন্যদিকে লতা মঙ্গেশকর বলেছেন সলিল চৌধুরীর ছিলো নিজস্ব স্টাইল। তাঁর কম্পোজিশন শুনলে মনে হত খুব সহজ কিন্তু গাইতে গেলে বোঝা যেত কতটা কঠিন। লোক সুর ই হোক কিংবা রাগ ভিত্তিক সবগুলোতেই থাকতো ইইউনিক সলিল চৌধুরী স্টাইল। যে কেউ শুনলেই বুঝতে পারতেন সলিল বাবুর ঘরানা
🎵 গানের নাম - হঠাৎ ভীষণ ভালো লাগছে
🎧 Song Credits:
🎵 গান - Hothat Bhishon Bhalo Lagche
Hothat Bhishon Bhalo Lagchhe Song Lyric 👇
হঠাৎ ভীষণ ভালো লাগছে
[হঠাৎ ভীষণ ভালো লাগছে
মনে হয় উড়ে যাই দূর-দূর
যেথা সুনীল আকাশ মোরে ডাকছে]-২
হঠাৎ ভীষণ ভালো লাগছে।
[অন্তরে ঝলকে ঝলকে পুলকে
কী যে আগুন
কী যে ঋতু তা জানিনা
ফুলেরা ফুটেছে কিনা আজ ফাগুন]-২
[হোক বা না হোক উৎসব ঝুলনের
দোলা লাগে অঙ্গে দোদুল দোলনের]-২
নিজেরই রঙে মন আজ রাঙছে
হঠাৎ ভীষণ ভালো লাগছে
মনে হয় উড়ে যাই দূর দূর
যেথা সুনীল আকাশ মোরে ডাকছে
হঠাৎ ভীষণ ভালো লাগছে।
[সূর্যের তোরণে তোরণে চলো না
দিই গো হানা
জমা যত আঁখিজল
হোক না সে উজল হাসনুহানা]-২
[মুক্তির পাখা মেলে যাই দু'জনা
বন্ধনে বাঁধা পড়ে যাই দু'জনা]-২
বাঁধন সুধা মুক্তি মাগছে
[হঠাৎ ভীষণ ভালো লাগছে
মনে হয় উড়ে যাই দূর দূর
যেথা সুনীল আকাশ মোরে ডাকছে]-২
হঠাৎ ভীষণ ভালো লাগছে
🔊 আমার মতামত - তখন কার গানের কথাগুলো সুন্দর আর শ্রুতিমধুর। গানের মতন উপহার কে আমরা ভুলে যাই মানুষ জানে না যে গান আমাদের কে এতটাই উপহার দেয় যে মানুষের মন ভরিয়ে দেয় একটা আলোর দিশা দেখিয়ে দেয় স্বর্গে কারা বাস করে জানা নেই তবে কিছু মানুষের আলোর দিশা উজ্জল হবে ❤️