রাহুল দেববর্মণ একদিন তাঁর পিতা শচীন দেববর্মণের কাছে গিয়ে বললেন আমাকে পকেট মানিটা বাড়িয়ে দিতে হবে। শচীন দেববর্মণ শুনে বললেন পকেট মানি বাড়িয়ে দিবো কি? সময় হয়েছে এবার তোমাকে আমার সাহায্য করা। রসিকতা করে এই কথাটা যাকে বলছেন তাঁর কারনে একদিন তাঁকে গর্বিত হতে হবে এটা কি সেদিন আন্দাজ করতে পেরেছিলো শচীন দেববর্মণ?
তা সেই গর্ব করে দেয়ার মত ঘটনাটা ঘটলো একদিন। মিউজিক কম্পোজার হিসেবে রাহুল দেববর্মণের তখন বেশ নাম ডাক। একদিন মর্নিং ওয়াক করে বাড়ীতে ফেরার পর শচীন কর্তা তাঁর ছেলে রাহুল দেববর্মণকে জড়িয়ে ধরলেন আনন্দে, গর্বে। ছেলের মাথায় হাত রেখে আশির্বাদ করলেন। রাহুল দেববর্মণ ব্যাপারটা বুঝে উঠতে পারেন নি। খোলসা করে বললেন শচীন কর্তা নিজেই
সেদিন মর্নিং ওয়াক করে ফেরার সময়ে রাস্তার কিছু লোক শচীন কর্তা কে দেখে বলেছিলেন - "জানিস ওই লোকটা কে যাচ্ছে? ওই লোকটা রাহুল দেববর্মণের বাবা"। ভাবুন একবার! শচীন দেববর্মণ কে বলা হচ্ছে জানিস ওই লোকটা রাহুল দেববর্মণের বাবা
একজন মানুষ কতটা জনপ্রিয় হলে তিনি শচীন দেববর্মণকে রাহুল দেববর্মণের বাবা এই পরিচয়ে গর্বিত করতে পারে! পুরনো দিনের এই গল্পের পর একটা পুরনো দিনের গানের লিরিক্স শেয়ার করবো এই পোষ্টে যেটি লিখেছেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার এবং সুর করেছেন রাহুল দেববর্মণ