৫ নম্বর ওয়েডার বার্ন রোডে থাকতেন শ্যামল মিত্র। সে সময়ে প্রায় দিনই নানা রকমের মানুষের আনাগোনা লেগেই থাকতো। তাঁদের মাঝে বেশির ভাগ ই ছিলেন সিনেমা জগতের লোক কিংবা গানের জগতের লোক। একজন প্রায়ই আসতেন; ধুতি পাঞ্জাবী পড়া অসম্ভব উজ্জ্বল দুটি চোখ। শ্যামল মিত্রের সংগে প্রায় সময়েই তাঁর নানা বিষয়ে আলোচনা হত। সেই মানুষটিও নৈহাটির মানুষ নাম সমরেশ বসু
সমরেশ বসু থাকতেন রেলের ওপারে আর শ্যামল মিত্রদের বাড়ীটা ছিলো গঙ্গার দিকে ব্যানার্জী পাড়রায়। তো সমরেশ বসুরবিবর (১৯৬৫) গল্পটা শ্যামল মিত্র কিনেছিলেন সেইনাম করবেন বলে। কিন্তু কয়েকদিন পরে "বিবর" নিষেধ হয়ে যায় তাই সিনেমাটা আর করে ওঠা হয় নি শ্যামল মিত্রের।
অনেকদিন পরে বিবরের উপর থেকে নিষেধাক্কা উঠে গেলো তখন শ্যামল মিত্রকে অনেকেই বললেন যেহেতু নিষেধাক্কা উঠে গিয়েছে এবার তাহলে যেন তিনি সিনেমাটা তৈরি করেন। শ্যামল মিত্র তখন জবাব দিয়েছিলেন - উত্তমকে ভেবেই গল্পটা কিনেছিলাম। এখন তো আর উত্তম নেই রোলটা আর কে করবে?
🔊 আমার মতামত - এমন একটা ইমোশনাল গান আমি আজ পর্যন্ত কোনদিন শুনিনি। কোন কারণ নেই অথচ গানটা কানে এলে জানিনা কেন দু-চোখে জল চলে আসে। সেইজন্যই এই গান চীর অমর হয়ে থাকবে। শ্রদ্ধেয় শিল্পী এবং শ্রদ্ধেয় সুরকার এর যুগলবন্দির সেরা গান। গান টা আছে কিন্তু সেই সময়টা চিরদিনের জন্য আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। সময়টা স্মৃতি হয়ে গেছে তাই স্মৃতি তুমি বেদনার ❤️