ইন্ডিয়ান মাইথোলজি এবং লোকসুর নিয়ে বিভিন্ন এক্সপ্রিমেন্ট করেছেন ভূপেন হাজারিকা।কোরাসের ব্যবহার দেখেছেন প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতিতে। বেদমন্ত্র কিংবা নানা স্তোত্র পাঠে কোরাসের ব্যবহার দেখা যায় কিন্তু সে সব গানে হারমোনি ছিলো না।
দীর্ঘদিন IPTA করার সুবাদে কাজ করেছেন দিকপাল গায়ক, সুরকারদের সাথে। হেমাঙ্গ বিশ্বাস, সলিল চৌধুরির কাজের ধারার সাথে বেশ পরিচিত হয়েছিলেন। এরকম ই একটি গানে কোরাসের ব্যবহার করলেন অসাধারণ ভাবে। গানটি বাংলায় লিখেছিলেন পবিত্র মিত্র এবং তিনি গানটি গাইলেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সাথে এবং এই গানটি অসমীয়া ছবিতেও ব্যাবহার করা হয়েছিলো
🎧 Song Credits:
শিল্পী - ভূপেন হাজারিকা/হেমন্ত মুখোপাধ্যায়
Gum Gum Gum Megh Oi Garjay Song Lyrics 👇
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
জীবন তরী বেয়ে যায়,
জীবন তরী বেয়ে যায় অজানায়!
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
জীবন তরী বেয়ে যায়,
জীবন তরী বেয়ে যায় অজানায়!
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
নদীতে তুফান আছে বন্ধু আছে
নদীতে তুফান আছে বন্ধু আছে
তারও যে শেষ আছে, আছে বন্ধু আছে
তারও যে শেষ আছে, আছে বন্ধু আছে
হাতে আমার হাল আছে, ওই মহাকাল নাচে
ঝড়ের উথাল দরিয়ায়...
হাতে আমার হাল আছে, ওই মহাকাল নাচে
ঝড়ের উথাল দরিয়ায়...
হেই গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
জীবন তরী বেয়ে যায়,
জীবন তরী বেয়ে যায় অজানায়!
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
ও পরাণে কাঁপন লাগে তবু যে নাই রে ভয়
পরাণে কাঁপন লাগে তবু যে নাই রে ভয়
পরাণে কাঁপন লাগে তবু যে নাই রে ভয়
ও পাহাড়ি তরঙ্গ আগে তবু যে নাই রে ভয়
পাহাড়ি তরঙ্গ আগে তবু যে নাই রে ভয়
পাহাড়ি তরঙ্গ আগে তবু যে নাই রে ভয়
মাঝ দরিয়ায় হাল ভাঙে হাত স্থাতার
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
তুফানে ডুবিতে কি যে না হইতে ভোর
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
বেয়ে যাক দূরে ওই, বেয়ে যাক দূরে ওই ক্রস দেখা যায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
জীবন তরী বেয়ে যায়,
জীবন তরী বেয়ে যায় অজানায়!
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
গুম গুম গুম মেঘ ওই গরজায়
🔊 আমার মতামত - এটা গান না, আগুন; চোখে জল, গায়ে কাঁটা ও রক্ত গরম হয়ে যায় এই গানটা শুনে। শ্রদ্ধেয় ড: ভূপেন হাজারিকার একটি কালজয়ী গান, আজকের দিনে যা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আজকের দিনে মানব সভ্যতায় এই রকম একটা গান পাওয়া, মানুষের কাছে সৌভাগ্যের ব্যাপার...
মানব জাতি আজ এই গানের মূল্যায়ন কতখানি মানব সভ্যতার উপর তুলে ধরতে পারবেন? গানের যদি সুন্দর স্বরলিপি থাকে তবে জনজীবন বা মানব সভ্যতার কেন সুন্দর নিদর্শন বা সুন্দর স্বরলিপি থাকে না? যুগে যুগে গানটি বহমান মানব জীবনের প্রতীবাদের, পরিবর্তনের, আবদারের, চলার প্রতীকী সুর হিসেবে রয়ে যাবে ❤️