একটা সময়ে বিভিন্ন মঞ্চে গান গেয়ে বেড়াতেন বনশ্রী সেনগুপ্ত এবং সেই সময়ে তিনি শুধু মাত্র সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান ই গাইতেন। বিভিন্ন মঞ্চে তাকে সন্ধাকন্ঠী বলেই ডাকা হত। বড় হয়ে সেই কন্যে শুধু সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ই হতে চাইতেন। এতটাই ভালোবাসতেন তিনি সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান এবং সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কেও
তো একবার এই সন্ধাকন্ঠী বনশ্রী সেনগুপ্তের গান শুনলেন এক বিখ্যাত গায়ক। তার বড় ভালো লাগলো মেয়েটির কন্ঠ। তাকে এসে তিনি বললেন যে, তুমি সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গানই শুধু ক্যানো গাও? তোমার নিজের গান গাইতে ইচ্ছে করে না?
বনশ্রী সেনগুপ্ত একটু অনুযোগের স্বরেই সেই শিল্পীকে সেদিন বলেছিলেন যে, আমার গান? কে আমায় গান দেবে? আমি তাই সন্ধা'দির গানই গাই। তখন সেই শিল্পী বলেছিলেন, আচ্ছা তোমার নিজের গান নেই; আমি তোমাকে তোমার গান গাওয়ার ব্যাবস্থা করছি। যেটা তোমার নিজের গান হবে
যেমন বলা তেমন কাজ। সেই বিখ্যাত শিল্পী তিনি বনশ্রী সেনগুপ্ত কে নিয়ে গেলেন এক নামী মিউজিক ডিরেক্টরের কাছে। তার কাছে গিয়ে সেই শিল্পী বললেন যে, দাদা! এই মেয়েটি আজকাল গান গাইছে। বড় ভালো গায়! মুলত সন্ধা মুখোপাধ্যায়ের গান ই গায়। আমার মনে হয় আপনি যদি একটু দেখেন ও নিজের নামেও পরিচিত হতে পারবে। মেয়েটি সন্ধা মুখোপাধ্যায়ের গান গায় আপনি ওকে বনশ্রী সেনগুপ্ত বানিয়ে দিন
সেদিনের সেই শিল্পী ছিলেন মৃণাল চক্রবর্তী এবং যে মিউজিক ডিরেক্টরের কাছে নিয়ে এসেছিলেন তার নাম সুধীন দাশগুপ্ত। সময়ের কালচক্রে সেদিনের সেই কন্যে ধীরে ধীরে হয়ে উঠলেন বনশ্রী সেনগুপ্ত। এই পোষ্টে তার একটা গানের লিরিক্স শেয়ার করবো। গানের নাম - হিরা ফেলে কাচ আগুন ফেলে আচ