সে সময়ে প্রতি বছরই গ্রামোফোন কম্পানি চমক দেবার চেষ্টা করতো যাতে শ্রোতারা নতুন কিছু পান। ১৯৭৪ সালের ঘটনা - ঠিক হলো কিশোর কুমারের গানের সুর করবেন লতা মঙ্গেশকর এবং লতা মঙ্গেশকরের গানের সুর করবেন কিশোর কুমার। গান লেখার দ্বায়িত্ব পেলেন মুকুল দত্ত। লতাজি আগে থেকেই ডেকে নিলেন মুকুল বাবুকে। দুটো গান পছন্দ করে তাতে সুর ও করলেন। এদিকে কিশোর কুমার ভাবছেন যে করেই হোক লতাজির থেকে ভালো সুর করতে হবে।
মুকুল দত্তের লেখা থেকে দুটো গান কিশোর কুমার ও বেছে নিলেন। দুজনেই দুর্দান্ত সুর করলেন কিন্তু কেউ জানতো না অন্যজন কি গান বা কি সুর তৈরি করছেন তাঁর জন্যে। প্রথম দিন - লতা মঙ্গেশকরে সুরে গাইলেন কিশোর কুমার। রেকর্ডিং এত ভাল হয়েছিলো যে, কিশোর বাবু সবাইকে সেদিন বিরিয়ানি খায়িয়েছিলেন। সেই দুটো গানের প্রথম গানের নাম - তারে আমি চোখে দেখিনি এবং দ্বিতীয় গানের নাম - আমি নেই, আমি নেই
দ্বিতীয় দিন - কিশোর কুমারের সুরে গাইলেন লতা মঙ্গেশকর। সেই বছর গ্রামোফোন কম্পানির এই চমক শ্রোতাদের এতটাই চমকে দিয়েছিলো যে, রেকর্ডের বিক্রিও রেকর্ড করেছিলো। সেদিনের গানে কি ম্যাজিক ছিলো জানিনা কিন্তু কিছু তো একটা ছিলো যার জন্য আজো সমান ভাবে সেই গান জনপ্রিয়।
সেই দুটো গানের প্রথম গানের নাম - ভালোবাসার আগুন জ্বেলে কেন চলে যায় এবং দ্বিতীয় গানের নাম - প্রিয়তম, কি লিখি তোমায় এবং এই গানের লিরক্স শেয়ার করবো এই পোষ্টের মাধ্যমে
