Chokhe Naame Brishti (চোখে নামে বৃষ্টি) Song Lyric
byঅনির্বাণ-
ব্যাক্তি জীবনে সব'চে কাছের মানুষটিকে যদি কর্মক্ষেত্রে ও পাশে পাওয়া যায় তাহলে কেমন হয়? নানা ওঠা পড়ার গল্প রয়েছে আশা ভোঁসলে ও রাহুল দেববর্মণের। সৃষ্টিশীলতার এই শিখড়ে পৌছানো মানুষটি অর্থাৎ রাহুল দেববর্মণ পাশে পেয়েছিলেন তার ভালোবাসার মানুষ আশা ভোঁসলে কে
মান্না দে একবার সৃতিচারণ করেছেন - "রাহুল যখন আশাকে বিয়ে করে আমাদের বাড়ীতে এলো খুব সুন্দর ও সুখী লেগেছিলো ওদের দু'জনকে দেখে। ঝল মল করে বেরিয়ে আসছিলো সুখের আভা ওদের শারিরীক ভাষা এবং কথাবার্তায়" কিন্তু সুরের হাত ধরে যে সম্পর্কের বুনিয়াদ তার পরিণতি কি ছিলো?
শোনা যায় ক্যারিয়ার নিয়ে এতটাই চিন্তিত ছিলেন আশা ভোঁসলে যে রাহুল দেববর্মণের অন্য সুর কোন মহিলা শিল্পী বিশেষত নাবগত কোন শিল্পীর কাছে গেলেই উনি নানা উছিলায় বাঁধ সাজতেন। কেউ বলে আশা-রাহুলের পারিবারিক সমস্যা ছিলো এতটাই তা থেকে দূরে থাকতে বাড়ির মিউজিক রুম ছেড়ে কখনো কখনো হোটেলে রুম ভাড়া করে রিহার্সাল করতেন রাহুল দেববর্মণ
দু'জন মানুষের পাশাপাশি চলার রাস্তাটা কোন বাঁকে গিয়ে আলাদা হয়, বিয়ের সানাই কখন কোথায় গিয়ে বে-সুরে বাজতে শুরু করে, লাল গোলাপ কি করে ফ্যাকাশে হয়ে যায় তা কেউই বলতে পারে না। তবুও কি রয়ে যায় কিছু? চলে যেতে যেতে! ছেড়ে যেতে যেতে! দূরে যেতে যেতে?
নয়তো আলাদা থাকতে শুরু করলেও ১৯৯৪ এর ৪ না জানুয়ারি চাইতেও সুরের সাম্রাজ্য ফেলে রেখে রাহুল দেববর্মণের চলে যাওয়ার খবর পেয়েই পাগলের মত ছুটে আসবেন কেন তিনি? এ প্রশ্নের উত্তর হয়তো আশা ভোঁসলের কাছেও নেই। সে যাকগে এই পোষ্টে গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার এর লেখায় রাহুল দেববর্মণের সুর করা এবং আশা ভোঁসলের কন্ঠে একটা গানের লিরিক্স শেয়ার করছি
🔊 আমার মতামত - নস্টালজিক হতে বাধ্য করে গান টি, এত চমৎকার। মনে পরে গেল সেই পুরনো সৃতিগুলো। এরকম গান আর বোধয় কখনো কোন নতুন শিল্পী আমাদের উপহার দিতে পারবে না। অসাধারন একটি গান ❤️