সলিল চৌধুরীর ছিলো কথা সুর এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের দরাজ গলা। যে হেমন্ত মুখপাধ্যায় ফুল, পাখি, প্রেম নিয়ে গান গাইতেন সেই হেমন্ত বাবুই সলিল চৌধুরীর সুরে মেদহীন কথায় প্রতীবাদের গান, নব জাগরণের গানে একদম যেন বদলে যেতেন ফলে এই জুটির কাছে শ্রোতাদের প্রত্যাশাও ছিলো অনেক
তাঁরা দুজনে পর পর কয়েক বছর এক সাথে গান হওয়ার পর সম্পর্কে কোথায় যেন একটু চির ধরলো। দু'জনই বছর কয়েক একসাথে কাজ করলেন না। একদিন সলিল চৌধুরী সোজা হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে বললনে - "কি হেমন্ত দা। আপনি নাকি বলে বেড়াচ্ছেন, কে সলিল চৌধুরী? হেমন্ত মুখার্জী না থাকলে কে ওকে চিনতো?" হেমন্ত বাবুও অবাক! একটু বিরক্ত হয়েই বললনে - "কি সব বাজে কথা বলছো?" আমি তো শুনছি তুমি-ই নাকি বলে বেড়াচ্ছো, "কে হেমন্ত?"
খানিকক্ষন দুজনেই চুপচাপ এবং দুজনেই একটু পর বুঝলেন যে, তাদের বিশেষ কোন মানুষ গন্ডগোলটা পাকিয়েছেন। দুজনকে দুজনের নামে বলে সম্পর্কের সর্বনাশ করেছেন। ব্যাস! মান অভিমান ভুল বোঝাবুঝির পালা চুকলো। হেমন্ত বাবু বললেন - চলো সলিল আমরা আবার এক সাথে কাজ করি
সলিল বাবুর লেখা এবং সুরে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের নতুন রেকর্ড বের হলো সালটা ছিলো ১৯৬৭। রেকর্ড করার পরে হেমন্ত বাবু বললেন - সলিল তুমি আমার মনের কথাই লিখেছো গানে। বছর কয়েক বিরতির পর আবারও এ রেকর্ড জনপ্রিয়তায় নতুন করে রেকর্ড গড়লো । বোঝা গেল কেনো এই জুটি এতটা জনপ্রিয়! এবারে সেই রেকর্ডের একটা গানের লিরিক্স শেয়ার করবো যার নাম